শীতে কিভাবে ত্বকের যত্ন নিবেন || How to take care of skin in winter
শীতে ত্বকের যত্ন
শীতে ত্বক হয়ে যায় শুষ্ক।এই সময় প্রয়োজন ত্বকের বাড়তি যত্ন। দর্শক
আপনার ত্বক কি প্রকৃতিগতভাবেই শুষ্ক নাকি তৈলাক্ত? আপনার বয়স কি তিরিশ
পেরিয়েছে? আপনি কি দিনের মধ্যে বেশিরভাগ সময়টাই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত রুমের
মধ্যে কাটান? তা যদি হয় তবে আগামী কয়েকটা মাস আপনাকে একটু বাড়তি সতর্কতা
অবলম্বন করতে হবে, নাহলে ত্বকের শুষ্কতায় আপনাকে খুব ভোগাবে৷ মনে রাখবেন,
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার ত্বকের আর্দ্রতা কমে আসবে, তাই সঠিক
যত্নআত্তি না পেলেই দেখা দেবে ত্বকে বলিরেখা৷ অপ্ল বয়সেই ত্বকে ভাঁজ
পড়বে, তা কুঁচকে যেতেও পারে৷ আশার কথা হচ্ছে, একটু সচেতন হলেই কিন্তু এই
সমস্যার হাত থেকে নিজেকে বাচিয়ে নিতে এখন থেকে ত্বকের যত্ন নিলে সারা
শীতে থাকতে পারবেন সতেজ । শীতে ত্বক স্পর্শকাতর হয়ে যায়, দেখা দেয়
শুষ্কতা, ব্রণ ইত্যাদি। গরমের জন্য যেসব পণ্য এত দিন ব্যবহার করা হয়েছে,
সেগুলো বদলে নিতে হবে ধীরে ধীরে এখন থেকেই।
শীতে মেয়েদের রূপচর্চার কিছু কথা…
শীতে বাতাসে ধুলোবালির পরিমান অনেক বেড়ে যায় তাই যতটা সম্ভব ত্বক
পরিষ্কার রাখার চেষ্টা রাখতে হবে। শীতকালে ত্বক একটু অদ্ভুত আচরণ করে,
ত্বকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। মুখের বেশির ভাগ অর্থাৎ
নাক-কপালের অংশ ছাড়া বাকি জায়গা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই ত্বকের ধরন
অনুযায়ী বুঝে নিতে হবে বাড়তি যত্ন। যদি মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তবে
সাধারণত যে ফেস ওয়াশ গরমকালে ব্যবহার করেছেন সেটাই রাখুন। শীতে ত্বক কে
কোমল ও উজ্জ্বল রাখতে অ্যালোভেরা অন্যতম ভূমিকা পালন করে। তাই ত্বক ভালো
রাখতে এলোভেরাযুক্ত ক্লিনজার ব্যবহার করলে ভাল ফল পেতে পারেন। ত্বক বেশি
শুষ্ক হয়ে গেলে ক্রিম ক্লিনজার, ক্লিনজিং মিল্ক অথবা গ্লিসারিন বার
ব্যবহার করুন।
শীতে মিষ্টি রোদ কার ভালো লাগে না? কিন্তু কিছু কিছু সময় এই রোদই ত্বকের
জন্য মারাক্তক ক্ষতি করতে পারে। তাই রোদে যাওয়ার আগে অবশ্যেই ভালো কোনো
সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করুন। সকালে বাহিরে যাওয়ার আগে দেখে নিন আপনার
সঙ্গে ক্লিনজিং ওয়াইপস বা ওয়েট টিস্যু ব্যাগে ঢুকিয়েছেন কি না।
দর্শক আপনি যদি মেকাপ করেন তবে অবশ্যই তা ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে ভুলবেন
না। মেকাপ রিমুভ করতে বেবী অয়েল বা মেকাপ রিমুভার ব্যবহার করুন এবং শেষে
কুমকুম গরন পানি ও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লোশন লাগাতে
পারেন।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই নাইট ক্রিম অথবা আমন্ড অয়েল লাগাতে পারেন।
আমন্ড অয়েল ত্বক ময়েশ্চারাইজ ধরে রাখে, বয়সের ভাঁজ কমায়, ব্রণ অথবা
দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।
এগুলো ছাড়াও নানান রকমের ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ও লোশন ব্যবহার করতে পারেন
শীতে আপনার ত্বকের চামড়াকে ভালো রাখার জন্য । তবে একটা বিষয় লক্ষ্য রাখতে
হবে যাই ব্যবহার করেননা কেন সেটি যেন ভালো মানের হয়। তা না হলে আপনার
ত্বকের উপকার হওয়ার চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে।
অনেকের ত্বক শীতকালেও তৈলাক্তভাব দেখা যায় তাদের ক্ষেত্রে হালকা
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভাল। যাদের ত্বকে রুক্ষ ভাব অনেক বেশি তারা
সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকায় উত্তম। কেননা সাবানের মধ্যে ক্ষারের
পরিমান বেশি থাকে যা ত্বকে আরো রুক্ষ করে তোলে। তাই সাবানের পরিবর্তে আপনি
ভালো মানের বডিওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। শরীরে ভালো করে তেল মাখিয়ে নিন
তারপর গোসল করুন। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য গোসল হয়ে গেলে লোশন
ব্যবহার করুন। এছাড়া ত্বকের শুষ্কভাব দূর করার জন্য প্রতিরাতে ভিটামিন ‘ই’
সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।
বন্ধুরা আজকের ভিডিওটি কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানান ।আর যদি ভিডিওটি যদি
ভাল লাগে তাহলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক
ভিডিও পেতে বিডি হেলথ টপিক্স চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ও পাশে থাকা বেল
আইকনটিতে ক্লিক করুন।
0 Comments